বাংলা গদ্য
নদীর বিদ্রোহ
অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নাবলী
প্রতিটি প্রশ্নের মান ১
১. "আমি চলিলাম হে" - কে কাকে একথা বলেছে?
উত্তর:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নদীর বিদ্রোহ গল্পের স্টেশন মাস্টার নদেরচাঁদ চারটে পঁয়তাল্লিশের প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি রওনা করিয়ে তার সহকারীকে কর্তব্যভার বোঝানোর সময় তাকে একথা বলেছে।২. "আজ্ঞে হ্যাঁ" - কে কোন প্রসঙ্গে এই কথাটি বলেছিল?
উত্তর:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নদীর বিদ্রোহ গল্পের স্টেশন মাস্টার নদীর চাঁদ চারটে পঁয়তাল্লিশের প্যাসেঞ্জার ট্রেনটিকে রওনা করিয়ে তার নতুন সহকারীকে কর্তব্যভার বুঝিয়ে চলে যাবার কথা জানায়। উত্তরে সহকারি সম্মতিসূচক উক্তিটি করে।
৩. 'আজ্ঞে না"- বক্তার এই কথাটি বলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করো।
উত্তর:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নদীর বিদ্রোহ গল্পের স্টেশন মাস্টার নদের চাঁদ চারটে পঁয়তাল্লিশের প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি রওনা করিয়ে তার সহকারীকে কর্তব্যভার বোঝানোর পর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় সহকারীকে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে কিনা জিজ্ঞাসা করলে সহকারী উদ্ধৃত উক্তিটি করেন।
৪."পাঁচ দিন নদীকে দেখা হয় নাই"- এই উদ্ধৃতির মধ্য দিয়ে নদেরচাঁদের যে আন্তরিক আকুতি ফুটে উঠেছে তার পরিচয় দাও।
উত্তর:
নদেরচাঁদের ছোট থেকেই নদীর প্রতি বড় টান। পাঁচ দিন অবিস্রান্ত বৃষ্টির জন্য সে নদীর কাছে যেতে পারেনি। তাই বৃষ্টি থামতেই নদীকে দেখার জন্য সে উৎসুক হয়ে উঠলো।
৫. "নদেরচাঁদ" ছেলে মানুষের মতো ঔৎসুক্য বোধ করতে লাগলো"- ছেলেমানুষের মতো বলার কারন কি?
উত্তর:
নদেরচাঁদের ছোট থেকেই নদীর প্রতি বড় টান। পাঁচ দিন অবিশ্রান্ত বৃষ্টির জন্য সে নদীর কাছে যেতে পারেনি। তার এই আকুলতা সাধারণত কোন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যে দেখা যায় না। তাই এখানে "ছেলেমানুষের মতো" বলা হয়েছে।
৬. "কিছুক্ষণ নদীকে না দেখিলে সে বাঁচিবে না"- একথা বলার কারণ কি?
উত্তর:
মানিক বন্দোপাধ্যায়ের "নদীর বিদ্রোহ" গল্পে এ কথার মধ্য দিয়ে নদেরচাঁদের সঙ্গে নদীর গভীর বন্ধুত্বের কথা বলা হয়েছে। একটানা পাঁচ দিন বৃষ্টির পরে নদীকে দেখার জন্য তার মধ্যেকার আকুলতাকে প্রকাশ করেছে এই উদ্বৃতি।
৭. "তা হোক"- কি হবার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নদীর বিদ্রোহ গল্প থেকে গৃহীত অংশে "তা হোক" শব্দটির সাহায্যে বৃষ্টির পূর্বাভাসকে উপেক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। একটানা পাঁচদিন অবিশ্রান্ত বৃষ্টির জন্য নদেরচাঁদ নদীর কাছে যেতে পারেনি। তাই বর্ষণের শেষে নদীকে দেখার সুযোগ সে কোনমতেই হাতছাড়া করতে চায় না।
৮. "রেলের উঁচু বাঁধ ধরিয়া হাটতে হাঁটতে হাঁটতে" হাঁটতে হাঁটতে নদেরচাঁদ কি ভাবছিল ?
উত্তর:
একটানা পাঁচদিন অবিশ্রান্ত বৃষ্টির জন্য নদেরচাঁদ নদীর কাছে যেতে পারেনি। বৃষ্টি থামলে নদীকে দেখতে যাওয়ার সময় দুদিকের মাঠ ঘাট দেখে সে বর্ষণ-পুষ্ট নদীর পরিপূর্ন রূপের কথা ভাবছিল।
৯. "ত্রিশ বছর বয়সে নদীর জন্য নদেরচাঁদের এত বেশি মায়া একটু অস্বাভাবিক" - একথা বলার কারন কি ছিল?
উত্তর:
নদীর বিদ্রোহ গল্পে নদেরচাঁদের নদীকে নিয়ে বাড়াবাড়ি রকমের ঔৎসুক্যবোধ অনেকটা ছেলেমানুষীর মতো। তাই ত্রিশ বছর বয়সে নদীর জন্য নদেরচাঁদের এত বেশি মায়া একটু অস্বাভাবিক।
